অ্যাডভান্স ওয়ার্ডপ্রেস -১১: Search এর ফলাফল একটি মাত্র টিউন হয় তাহলে কিভাবে ওই টিউনে Redirect করবেন

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই ?? আশা করি ভাল। আজকে যেই বিষয় নিয়ে আলোচনা করব তা হচ্ছে  যদি Search এর ফলাফল একটি মাত্র টিউন হয় তাহলে কিভাবে ওই টিউনে Redirect করবেন।
যখন কোন ভিজিটর ওয়ার্ডপ্রৈসের নিজস্ব সার্চ বক্সে কোন কিছু সার্চ করে তখন সার্চ এর ফলাফল লিষ্ট আকারে প্রদর্শিত হয়।সার্চ এর ফলাফল যদি একটি মাত্র টিউন হয় তবে সেই টিউনিটতে Redirect করার জন্য আপনি আপনার সার্চ ইঞ্জিনটিকে উন্নত করতে পারেন।
সার্চ ইঞ্জিনকে উন্নত করার জন্য নিচের কোডটি আপনার থিমের ফাংশন ফাইলে (functions.php) পেষ্ট করুন। ফাইলটি সেভ করুন।এখন আপনার সার্চ ইঞ্জিনটি সার্চ করার একটি মাত্র টিউন পেলে সেই টিউন এ Redirect করবে।


add_action('template_redirect', 'redirect_single_post');
function redirect_single_post() {
if (is_search()) {
global $wp_query;
if ($wp_query->post_count == 1) {
wp_redirect(get_permalink($wp_query->posts['0']->ID));
}
}
}

ধন্যবাদ সবাইকে।
  ধন্যবাদ সবাইকে।


ধন্যবাদ সবাইকে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
ধন্যবাদ সবাইকে।

অ্যাডভান্স ওয়ার্ডপ্রেস -১০:কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস নিদির্ষ্ট পেজে SSL secure করতে বাধ্য করা

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই। আশা করি ভাল। আজকে যে বিষযটি নিয়ে বলব তা হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস নিদির্ষ্ট পেজে SSL secure করতে বাধ্য করা।
ওয়ার্ডপ্রেস নিদির্ষ্ট পেজে SSL secure করতে বাধ্য করা।
আপনার ওয়েব সার্ভার এ যদি এসএসএল(SSL) একটিভ্যাট করা থকে তাহলে আপনার ব্লগের সুরক্ষার জন্য তা ব্যবহার করা উচিত। ওয়ার্ডপ্রেসের নিদির্ষ্ট পেজে এসএসএল অ্যাক্টিভেট করা খুব সহজ একটি ব্যাপার।
শুধুমাত্র নিচের কোডটি আপনার থিমের ফাংশন ফাইলে (functions.php) করার মাধ্যমে তা করতে পারেন।এক্ষেত্রে মনে রাখতে যেই পেইজ এ আপনি এসএসএল (SSL) অ্যাক্টিভেট করতে চান সেই পেইজ অথবা টিউন আইডি নিদিষ্ট করে দিতে হবে।


function wps_force_ssl($force_ssl, $post_id = 0, $url = '') {
if ($post_id == 25) {
return true
}
return $force_ssl;
}
add_filter('force_ssl', 'wps_force_ssl', 10, 3);


কাজ শেষ। এই টুকু করতে করলেই আপনার ওই নিদির্ষ্ট পেজে এসএসএল অ্যাকটিভ হয়ে যাবে।

অ্যাডভান্স ওয়ার্ডপ্রেস -০৯:কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস টিউমেন্টস ফর্ম থেকে কিভাবে URL field Remove করবেন

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই। আশা করি ভাল। আজকে যেই বিষয় নিয়ে লিখতে বসলাম তা হল কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস টিউমেন্টস ফর্ম থেকে কিভাবে URL ফিল্ড Remove করবেন ?
বিভিন্ন সময় আপনার প্রযোজনের কারনে টিউনের টিউমেন্টস ফরম থেকে ওয়েব ইউআরএল ফিল্ডটি রিমুভ করার প্রয়োজন হয়।নিচের কোডটি ব্যবহার করে খুব সহজেই এই কাজটি করতে পারেন।
নিচের কোডটি আপনার থিমের ফাংশন ফাইলের(functions.php) মধ্যে পেষ্ট করুন।ফাইলটি সেভ করলেই দেখতে পারবেন আপনার সাইটের টিউমেন্টস ফরমে ইউআরএল ফিল্ডটি Remove হয়ে গেছে।


function remove_comment_fields($fields) {    unset($fields['url']);    return $fields;}add_filter('comment_form_default_fields','remove_comment_fields');


ব্যাস হয়ে গেল। এই কোডটি functions.php তে টিউন করার পর দেখবেন আপনার সাইটের টিউমেন্টস ফর্ম এ ইউ আর এল ফিল্ড উধাও।




অ্যাডভান্স ওয়ার্ডপ্রেস -০৮ :কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের Upload Directory কে সিকিউর করবেন

 আসসালামু আলাইকুম। কেন আছেন সবাই। আশা করি ভাল। আজকে যে বিষয নিয়ে আলোচনা করবো তা হল কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের আপলোড ডিরেক্টরিকে নিরাপদ করবেন।

যে কোন ওয়েবসাইটের জন্য সিকিউরিটি একটি গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করে।সাধারণভাবে ওয়ার্ডপ্রেস অনেকাংশ নিরাপদ।কিন্তু আপনি চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস সিকিউরিটিকে আরো উন্নত করতে পারেন।আজকে আমরা এই টিউটোরিয়াল মাধ্যমে জানবো কিভাবে .Htaccess  ফাইলের মাধ্যমে Upload Directory কে সিকিউর করবো যেন তা শূধু মাত্র নিদির্ষ্ট কিছু ফাইল এক্সটেনশন
.htaccess নামে একটি ফাইল তৈরী করুন এবঙ নিচের কোডগুলো পেষ্ট করুন। পেষ্ট করা হলে wp-content/uploads ডিরেক্টরিতে ফাইলটি আপলোড করে দিন।
এই উতাহরলটি শুধু মাত্র Image File  এর জন্য দেওয়া হয়েছে। আপনার প্রয়োজন অনুসারে আপনি এখানে যেকোন ফাইল যেমন .pdf ইত্যাদি দিতে পারেন। আপনার পছন্দের ফরম্যাটটি ৫ নং লাইনে যোগ করুন।

<Files ~ ".*..*">
Order Allow,Deny
Deny from all
</Files>
<FilesMatch ".(jpg|jpeg|jpe|gif|png|tif|tiff)$">
Order Deny,Allow
Allow from all
</FilesMatch>

আশা করি ভাল লাগবে।


অ্যাডভান্স ওয়ার্ডপ্রেস -০৭ :কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসে excerpt ফাংশনকে উন্নত করবেন

আসসালামু আলাইকুম। কেন আছেন সবাই। আশা করি ভাল। আজকে যে বিষয নিয়ে লিখতে বসলাম তা হল কিভাবে the_excerpt() ফাংশনকে আরও উন্নত করা যায়।
the_excerpt() ফাংশনটি খুব গুরুত্বপুর্ণ এবং থিম ডেরেলপারদের কাছে এটি খুব জনপ্রিয়।কিন্তু এটিকে চাইলে আরও অনেকাংশে Perfect করা যায়। আজকের এই টিউটরিয়ালে আমরা দেখবো কিভাবে the_excerpt() ফাংশনকে আরও উন্নত করা যায় যা নিদির্ষ্ট সংখ্যার বাহিরে কোন কোন বাক্য দেখাবে না এবং লাইনের অর্ধেকে শেষ হয়ে যাবে না।
এর জন্য প্রথম যেই কাজটি করতে হবে তা হল একটি নতুন ফাংশন তৈরী করতে হবে।এর জন্য আপনার থিম ফাইলের functions.php ফাইলটি Open করুন এবং নিচের কোডটি পেষ্ট করুন।
// Variable & intelligent excerpt length.
function print_excerpt($length) { // Max excerpt length. Length is set in characters
global $post;
$text = $post->post_excerpt;
if ('' == $text) {
$text = get_the_content('');
$text = apply_filters('the_content', $text);
$text = str_replace(']]>', ']]>', $text);
}
$text = strip_shortcodes($text); // optional, recommended
$text = strip_tags($text); // use '
$text = strip_tags($text,'<p><a>'); ' if you want to keep some tags
$text = substr($text,0,$length);
$excerpt = reverse_strrchr($text, '.', 1);
if($excerpt) {
echo apply_filters('the_excerpt',$excerpt);
} else {
echo apply_filters('the_excerpt',$text);
}
}
// Returns the portion of haystack which goes until the last occurrence of needle
function reverse_strrchr($haystack, $needle, $trail) {
return strrpos($haystack, $needle) ? substr($haystack, 0, strrpos($haystack, $needle) + $trail) : false;
}
সেভ করার পর আপনার কাজ শেষ যেখানে আপনার Excerpt দেখানো প্রয়োজন সেখানে নিচের কোডের মত করে ব্যবহার করুন।

অ্যাডভান্স ওয়ার্ডপ্রেস -০৬:লগইন করার পর কিভাবে আগের পেজে রি ডিরেক্ট করবেন।

আপনি যখন ওয়ার্ডপ্রেস কান সাইট করেন তখন অনেক সময় ভিজিটরকে লগ-ইন করার পর আগের পেজ এ রিডিরেক্ট করতে হয়।  আজকের টিউটোরিয়ালে আপমরা শিখবো কিভাবে ভিজিটরকে লগইন করার পর আগের পেজ এ রিডিরেক্ট করতে হয়।
ওয়ার্ডপ্রেসের একটি অসাধারণ ফাংশন আছে তা হল wp_login_url()এই ফাংশনটি ড্যাশবোর্ডের লগ-ইন পেজের ইউ আর এল নির্দেশ করে।এটি একটি প্যারামিটার গ্রহন করতে পারে।যে ইউআরএল এ সফল ভাবে redirect করতে পারে। আমরা get_permalink() প্যারামিটার ব্যবহারের এর মাধ্যমে বর্তমান পেজে ফিরে যেতে পারি।

নিচের কোডটি আপনার পছন্দের জায়গায় পেষ্ট করুন।

<a href="<?php echo wp_login_url(get_permalink()); ?>" title="Login">Login to view</a>

ব্যাস হয়ে গেল।

অ্যাডভান্স ওয়ার্ডপ্রেস -০৫: কিভাবে অপেক্ষাকৃত স্লো সার্ভার এ ওয়ার্ডপ্রেস আপগ্রেড করবেন।

আজকে আমরা দেখবো কিভাবে অপেক্ষাকৃত স্লো সার্ভার এ ওয়ার্ডপ্রেস আপগ্রেড করবেন। আগেই বলে রাখছি এই কাজটি অনেকভাবে করা যায়। অনেকেই php.ini ফাইল থেকে করতে পারেন।
ওয়ার্ডপ্রেস স্বয়ংক্রিয় ডাউনলোড / ইনস্টল করা একটি গুরত্বপুর্ণ ফিচার।কিন্তু মাঝে মাঝে আপগ্রেড করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়।তার মধ্যে একটি সমস্যা হল টাইম আউট। এটি সাধারণত স্লো সার্ভার এর মধ্যে হয়।এই টিউটোরিয়ালটি ব্যবহার করে আপনি খুব সহজে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
এটি করার জন্য আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের কোর ফাইলটি Edit করতে হবে। আপনাকে এটি মনে রাখতে হবে, এটি সবার জন্য নয়। এটি শুধু তাদের জন্য যারা ওয়ার্ডপ্রেস অটো আপগ্রেড এ সমস্যায় পডেন তাদের জন্য।
wp-admin/includes/files.php file অপেন করে ৪৪৮ নং লাইনে গিয়ে নিচের কোডটি দেখতে পারবেন।
$response = wp_remote_get($url, array('timeout' => 60));
ডাউনলোডিং টাইম বাডানোর জন্য শুধু মাত্র ৬০ এর জায়গায় ১২০ করে দিন। তাহলে আপনি খুব সহজে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
$response = wp_remote_get($url, array('timeout' => 120));
আপনি চাইলে আপনার ১২০ এর জায়গায় যেকোন সংখ্যা বসাতে পারেন। আশা করি কাজে লাগবে যারা ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে কাজ করেন তাদের। ধন্যবাদ সবাইকে।

অ্যাডভান্স ওয়ার্ডপ্রেস -০৪: অ্যাডমিন টিউন লিষ্টে কিভাবে শুধু মাত্র Author টিউন দেখাবেন।

আজকে আমরা যেই বিষটি নিয়ে আলোচনা করব তাহল কিভাবে অ্যাডমিন টিউন লিষ্টে শুধু অথার টিউন গুলো দেখঅবেন। বুঝতে পারছেন না ?? ব্যাপারটা কি  ?? টেকটিউনসস এ লগইন করার করার পর ড্যাশোবোর্ডে সকল টিউন এ ক্লিক করলে কি দেখায় শুধু মাত্র অথার টিউনগুলোই দেখায়। টেকটিউনস এর  সবগুলো টিউন কিন্তু দেখায় নায় শুধু মাত্র আপনার টিই দেখায়। আজকে আমরা এই বিষটি নিয়েই আলোচনা করব।
আপনার ব্লগে বিভিন্ন Author থাকলে এটা খুবই গুরুত্বপুর্ণ যেন প্রত্যেক Author শুধু মাত্র অ্যাডমিন টিউন লিষ্টে নিজের টিউন গুলো দেখতে পারবে।
একটি সহজ কোডের মাধ্যমে আপনি কাজটি করতে পারেন।নিচের কোডটি আপনার থিমের ফাংশন ফাইল (functions.php) এ পেষ্ট করুন। ফাইলটি সেভ করুন। সেভ করার পর অ্যাডমিন টিউন লিষ্টে Author শুধু মাত্র নিজের টিউনটি দেখতে পারবে।


function mypo_parse_query_useronly($wp_query) {
    if (strpos($_SERVER[ 'REQUEST_URI' ], '/wp-admin/edit.php') !== false) {
        if (!current_user_can('level_10')) {
            global $current_user;
            $wp_query->set('author', $current_user->id);
        }
    }
}
add_filter('parse_query', 'mypo_parse_query_useronly');
?>
 
 
 কেমন লাগল জানাবেন। ধন্যবাদ সকলকে।
 
 

অ্যাডভান্স ওয়ার্ডপ্রেস -০৩: কিভাবে সকল রেজিষ্টার্ড ইউজারকে ই-মেইল পাঠাবেন

সালাম সবাইকে।কেমন আছেন সবাই। আশা করছি ভাল। আবারও হাজির হলাম ওয়ার্ডপ্রেস এর ছোট একটি টিউন নিয়ে। তাহল কিভাবে আপনার সাইটের সকল রেজিষ্টার্ড ব্যবহার কারীকে একই সময় ইমেইল পাঠাবেন। নতুন টিউন দেওয়ার আগে আমার পুর্ববর্তী টিউন গুলোর লিংক দিলাম আশা করি যারা মিস করেছেন তাদের কাজে লাগবে।

অনলাইনে ভিজিটর নিয়ে আসার অনেকগুলো পথের মধ্যে একটি হচ্ছে ইমেইল মার্কেটিং। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি সরাসরি আপনার সাইটে ভিজিটর নিয়ে আসতে পারবেন।  তাই ইমেইলের মাধ্যমে আপনি যদি আপনার সাইটের সকল রেজিষ্টার্ড ইউজারদের অবহিত করতেক চান তব আপনার জন্য এই টিউনটি।

আপনি যদি সকল registered users কে ই-মেইলের মাধ্যমে আনার সাইটের নতুন টিউন সম্পর্কে অবিহিত করতে চান তবে নিচের টিউটোরিয়ালটি ব্যবহার করে সহজেই তা করতে পারেন।
নিচেরকোডটি আপনার থিমের ফাংশন ফাইল functions.php এ পেষ্ট করুন।


function email_members($post_ID)  {
    global $wpdb;
    $usersarray = $wpdb->get_results("SELECT user_email FROM $wpdb->users;");
    $users = implode(",", $usersarray);
    mail($users, "New WordPress recipe online!", 'A new tutorial have been published on http://www.itshikkha.com');
    return $post_ID;
}
add_action('publish_post', 'email_members');
 
 
 
নিচে অবস্থিতআপনার সাইটের নাম লিখতে ভুলবেন না। আইটি শিক্ষা হচ্ছে আমার সাইটের লিংক। ভুলে দিয়ে দেন আর আমার সাইটে ভিজিটর আসবে।
Wordpress

অ্যাডভান্স ওয়ার্ডপ্রেস -০২:কিভাবে টিউনের ভিতরে অবস্থিত সকলছবিতে JQuery Plugin Lightbox যুক্ত করবেন?

আগে জেনে নেই লাইটবক্স কি ??
লাইটবক্স হল একটি জাভা স্ক্রিপ্ট লাইব্রেরী যা আপনার ওয়েবসাইটের ছবি বা ভিডিওকে নিচের চিত্রের মত করে দেখাবে। যেখানে ছবিটি/ভিডিওটি আপনার ওয়েবসাইটে আলাদা করে হাইলাইট করে দেখাবে ওয়েবসাইটের বাকি অংশ ডিম হয়ে থাকবে। ভালভাবে বুঝার জন্য নিচের চিত্রটি দেখুন

JQuery Plugin Lightbox একটি জনপ্রিয় প্লাগিন যা আপনার টিউনে অবস্থিত সকল ইমেজকে ফুল স্ক্রিনবক্সের মাধ্যমে দেখায়। এটি খুব সহজে আপনি ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু যে ছবিগুলোকে আপনি Lightbox এ অপেন করতে চান। আপনাকে Rel=”Lightbox” অ্যাট্রিবিউট যোগ করতে হবে। নিচের কোডটি ব্যবহার করেখুবসহজে টিউনের সমস্ত Image কে rel=lightbox স্বয়ংক্রিয় ভাবে যুক্ত করতে পারেন।
নিচের কোডটি আপনার থিমের ফাংশন ফাইল functions.php এ পেষ্টকরুন। ফাইলটি সেভ করার পর আপনার টিউনের সমস্ত ছবিতে Rel=”lightbox” যুক্ত হয়েযাবে।
add_filter('the_content', 'my_addlightboxrel');
function my_addlightboxrel($content) {
global $post;
$pattern ="//i";
$replacement = '';
$content = preg_replace($pattern, $replacement, $content);
return $content;
}
এইটুকুই। উপরের কোডটি সঠিকভাবে পেষ্ট করলেই আপনার টিউনের সকল ছবিতে লাইটবক্স দেখাবে।
ধন্যবাদ।



                                                           

অ্যাডভান্স ওয়ার্ডপ্রেস -০১: কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাসবোর্ডে কাষ্টম হেল্প মেসেজ তৈরী করবেন

আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সবাই ভাল আছেন। আগেই বলে রাখি টিউনগুলো অনেক ছোট ছোট কিন্তু অনেক কার্যকরী।আজকে আমরা দেখবো কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস এর অ্যাডমিন প্যানেল এ কাষ্টম মেসেজ দেখাবো। আসুল কথা না বাডিয়ে শুরু করা যাক।
আপনি যখন আপনার ক্লায়েন্টের জন্য কোন সাইট তৈরীকরবেন ক্লাযেন্ট ড্যাশবোর্ডের বিভিন্ন অপশন নিয়ে বিভিন্ন অসুবিধার সম্মুখীন হতেপারে।এই অসুবিধা দুর করার জন্য আপনি আপনার ক্লায়েন্টর জন্য contextualhelp তৈরী করে রাখতে পারেন। এই টিউটোরিয়ালটি ব্যবহার করেআপনি আপনার ক্লায়েন্টের জন্য contextual help তৈরীকরতে পারেন।
নিচের কোডটি আপনার থিম ফাইলের ফাংশন ফাইল functions.php এ পেষ্ট করুন।কোডের ৪ (চার) নং লাইনটি এডিট করে আপনার পছন্দের Message টি লিখুন। ব্যস ... এই টুকুই এখন ইউজাররা আপনার contextual help দেখতে পারবেন।
function my_admin_help($text, $screen) {
// Check we're only on my Settings page
if (strcmp($screen, MY_PAGEHOOK) == 0) {
$text = 'Here is some very useful information to help you use this plugin...';
return $text;
}
// Let the default WP Dashboard help stuff through on other Admin pages
return $text;
}
add_action('contextual_help', 'my_admin_help');
ব্যাস হয়ে গেল। ভাল লাগলে টিউমেন্ট জানাতে ভুলবেন না।


                                                    

ওয়ার্ডপ্রেস টিউটোরিয়াল ব্যাসিক A to Z

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? কথা না বারিয়ে আসল কথায় আসি।
ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে আপনাদের সামনে এটি আমার প্রথম টিউন আসা করি নতুনদের জন্য কাজে আসবে।
আজকে আপনাদের জন্য  আমি ওয়ার্ডপ্রেস ব্যাসিক টিউটোরিয়াল দিয়ে টিউনটি দেখুন কাজে আসবে.
ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে কমবেশি আমরা সবাই জানি। ওপেন সোর্স ব্লগ ম্যানেজমেন্ট প্লাটফর্ম এবং ব্লগিং এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্লাটফর্ম। ওপেন সোর্স হওয়ার কারণে আপনি এটা একদম বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন, আবার যদি ডেভেলপার হয়ে থাকেন, GLP লাইসেন্স এর অধীনে এর জন্য প্লাগিন,থিম কিংবা গোটা ওয়ার্ডপ্রেস কেউ আপনি ডেভেলপ করতে পারবেন। তবে ওয়ার্ডপ্রেস এর ব্যাপারে যেহেতু সবাই কমবেশি জানেন, তাই এর ব্যাখ্যায় না গিয়ে সরাসরি কাজের কথায় আসি।
wp-header-logo

ইন্সটলেশন 
কি কি লাগবে?ওয়ার্ডপ্রেস মূলত PHP-MySQL এর ওপরে বানানো একটা কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এ জন্য প্রাথমিক ভাবে আপনার দরকার হবে একটা ওয়েবসার্ভার এবং সেখানে পিএইচপি এবং মাইএসকিউএল ইন্সটল থাকতে হবে। আপনি যদি অ্যাপাচি সার্ভার ইন্সটলেশনে তেমন পটু না হন, তাহলে আপনি অ্যাপাচি-পিএইচপি-মাইএসকিউএল প্যাকেজ ব্যবহার করতে পারেন। নেটে বেশ কিছু প্যাকেজ পাবেন এরকম। এধরনের প্যাকেজে সব কিছু আগে থেকে কনফিগার করা থাকে। আপনাকে তেমন কিছু করতে হবে না বলা চলে। প্রাথমিক ভাবে আমার পছন্দ দুইটিWAMP
XAMPPতবে এখানে WAMP শুধু প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস দিয়ে সাজানো হয়েছে, যদি আপনি হেভিওয়েট পিএইচপি অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে কাজ করেন তাহলে আপনার জন্য XAMPP সেরা। তবে শুধু ওয়ার্ডপ্রেস WAMP তে অনায়াসে ব্যবহার করা যাবে। এগুলো কিভাবে ইন্সটল করতে হয়, তা উপরে দেওয়া লিঙ্কে গেলেই খুঁজে পাবেন, তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত বললাম না।এবার আপনার প্রয়োজন হবে একটা টেক্সটি এডিটর। যেখানে আপনি অন্তত PHP স্ক্রিপ্ট এডিট করতে পারবেন। অনেক অপশন আছে। তবে সিনট্যাক্স হাইলাইট করা যায় এমন এডিটর ব্যবহার করা সুবিধাজনক।Notepad ++ব্যক্তিগত ভাবে আমার পছন্দ নোটপ্যাড ++। কারণ এটা শুধু পিএইচপি নয়, আরো অর্ধশতাধিক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর জন্য উপযুক্ত। আর যারা উবুন্টু ব্যবহার করেন তারা ডিফল্ট ভাবে gedit পাবেন, সেটাও প্রায় একই রকম কাজ করে।যদি এই পর্যন্ত আপনি সব কিছু ঠিকঠাক ভাবে করে থাকেন, তাহলে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ এর জন্য প্রস্তুত।
ডাটাবেজ
প্রথমে আপনাকে একটা ডাটাবেজ তৈরি করে নিতে হবে। WAMP এবং XAMPP উভয়টাতেই phpmyadmin নামের একটা গ্রাফিক্যাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যা পি এইচ পি তে তৈরি, ইন্সটল করা থাকে। আমরা সেটাই ব্যবহার করবো।
make-db-1এখানে প্রথমেই আমি wp নামের একটা ডাটাবেজ তৈরি করে নিলাম। এবার আপনি আপনার লোকাল সার্ভার এর রুট ডাইরেক্টরি (wamp এর ক্ষেত্রে www এবং XAMPP এর ক্ষেত্রে htdocs হয়ে থাকে) তে গিয়ে wp নামের একটা ফোল্ডার তৈরি করে নিন। এবার এই লিঙ্ক থেকে ওয়ার্ডপ্রেস এর সর্বশেষ ভার্সন ডাউনলোড করুন। জিপ বা টারবল ফাইল টা সেই wp ডাইরেক্টরীতে গিয়ে এক্সট্রাক্ট করুন, এমনভাবে যেন, ব্রাউজারে আপনি http://localhost/wp/readme.html এ গেলে ওয়ার্ডপ্রেস এর রিডমি ফাইল দেখতে পান। যদি সব কিছু ঠিক ঠাক ভাবে হয়ে থাকে, তাহলে আসুন এবার ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটলেশন শুরু করা যা।

মূল ইন্সটলেশন

ব্রাউজারে আপনি http://localhost/wp/ এখানে গেলে আপনি নিচের মতো একটা স্ক্রিন পাবেনঃ
make-config-1
এখানে আপনাকে কনফিগারেশন ফাইল তৈরী করতে হবে। চলুন শুরু করা যাক। create a configuration file এ ক্লিক করুন।
নিচের মতো একটা স্ক্রিন পাবেনঃ
make-config-2
এখানে আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে কি কি লাগবে। যদিও আমি আগেই সব বলেছি, তারপরো একবার দেখে নিন আর কিছু বাকি আছে কিনা?
এবার Lets go তে ক্লিক করে পরের ধাপে যান।
make-config-3এখানে আপনাকে ডাটাবেজ এর নাম, ডাটাবেজ এর ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড এবং ডাটাবেজ হোষ্ট এর নাম দিতে হবে। ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন, তবে দুইটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। প্রথমত আপনি যদি WAMP অথবা XAMPP ব্যবহার করে থাকেন এবং সেটিংস এ কোন ধরনের পরিবর্তন না এনে থাকেন, তাহলে ডিফল্ট ভাবে ডাটাবেজ ইউজারনেম root এবং পাসওয়ার্ড ফাঁকা থাকবে। হোষ্ট লোকালহোষ্ট হবে। শেষে আছে ডাটাবেজ প্রিফেক্স। আপনার যদি মাই এস কিউ এল ডাটাবেজ এর কাঠামো সম্পর্কে ধারনা থেকে থাকে তাহলে বুঝতেই পারছেন যে প্রফেক্স মানে এখানে টেবিল এর নামের প্রথমাশ বোঝানো হয়েছে। এটা সাধারন ভাবে তেমন কিছু না হলেও, সিকিউরিটির জন্য অসাধারন একটা জিনিস। সে বিষয়ে আমরা অন্য একটা খন্ডে আলোকপাত করবো।
এখানে আমি প্রিফেক্স এ ic_ দিয়েছি। আপনি নিজের প্রয়োজন মতো দিতে পারেন, তবে হ্যাঁ, শেষে একটা আন্ডারস্কোর (_) দেওয়ার চেষ্টা করবেন, এতে পরে বুঝতে সুবিধা হবে।
সাবমিট করুন, সব ঠিক থাকলে নিচের ছবির মতো একটা স্ক্রিন পাবেন আপনি।
run-install-1
Run The Install এ ক্লিক করে পরের ধাপে চলে যান।
run-install-2এবার আপনাকে আপনার সাইটের নাম, অ্যাডমিন অ্যাকাউন্ট সেটাপ করতে হবে। ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন এ জন্য প্রথমে আপনাকে একটা নাম দিতে হবে, এরপর আপনি অ্যাডমিন অ্যাকাউন্ট এর জন্য যে ইউজার নেম ব্যবহার করতে চান সেটা দেবেন। এরপর পাসওয়ার্ড। পাসওয়ার্ড শক্তি মিটার আপনাকে বলে দেবে পাসওয়ার্ড কতোটা শক্তিশালী। এরপর আপনাকে আপনার ইমেইল আইডি দিতে হবে। শেষে সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইট কে অন্তর্ভূক্ত করতে চান কিনা সেটা নির্ধারন করতে হবে।লোকালহোষ্টে সেটাপের জন্য অ্যাডমিন ইউজার নেম অ্যাডমিন রাখতে পারেন, তবে নিজের সাইটে কিংবা কাজের ক্ষেত্রে কখনই এমনটা করবেন না। অন্য কিছু দেবেন। এরপর মেইল আইডি লোকেলহোষ্টে যা ইচ্ছে তাই দিতে পারেন, তবে কাজের ক্ষেত্রে অবশ্যই একটা সঠিক ইমেইল আইডি দেবেন।এরপর Install Wordprss ক্লিক করুন .install-step6
ইন্সটলেশন ফাইনাল এর ছবিটা হারিয়ে ফেলেছি, তাই অন্য যায়গা থেকে এনে দিলাম .সব ঠিক ঠাক থাকলে উপরের ছবির মতো আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটলেশন সম্পন্ন হয়েছে।সাইটে লগিন করলে আপনি এমন একটা স্ক্রিন পাবেন
wordpress-home
ছবিটা সাইজে অনেক বড় হওয়ায় এখানে ফুল ভিউ আলাদা করে দিলাম।
কংগ্রাচুলেশন, আপনি সফল ভাবে ওয়ার্ডপ্র্বেস ইন্সটল করেছেন।
আসুন চট করে একটা নতুন টিউন লিখে ফেলি। আপনার প্রথম টিউন।
new-postউপরের ছবির মতো করে নিউ টিউন এ ক্লিক করলে নিচের মতো একটা এডিটর পাবেন।
the-editor
লিখে ফেলুন আপনার প্রথম টিউন, আমি নিজে লিখে আপনাকে স্বাগতম জানিয়েছি।
টিউন পাবলিশ করার জন্য আপনাকে ডান পাশে পাবলিশ সেকশন দেখতে হবে।
publish-sectionতার ঠিক নিচেই পাবেন ক্যাটাগরী সেকশন। সেখানে আপনি এই টিউন কে কোন ক্যাটাগরীতে অন্তর্ভূক্ত করতে চান সেটা নির্ধারন করতে পারবেন। নতুন ক্যাটাগরী যোগ ও করতে পারবেন।
categoryতার নিচে আছে ট্যাগ সেকশন। ট্যাগ মূলত সেই সব শব্দকে বোঝায়, যা টিউন টি কি সম্পর্কিত সে সম্পর্কে ভিজিটরকে অবহিত করবে। যেমন আপনি যদি একটা রান্নার রেসিপি দেন, তাহলে আপনার ট্যাগ সমূহ হতে পারে এমনঃ রান্না, খাবার, রান্নাঘর, পোলাও।
tagsএবার ব্রাউজারে http://localhost/wp/ তে গেলে এমন একটা টিউন দেখতে পাবেন।
1st postপ্রথম পর্বে আপনাকে একদম ব্যাসিক কিছু জিনিস দেখালাম। কিভাবে শুরু করতে হয়, এরপরের পর্বে থাকছে টিউন ফরম্যাটিং এবং সেটিংস সম্পর্কিত বিষয়সমূহ।
wordpress

c++ দিয়ে factorial calculator তৈরি ।

c++ দিয়ে factorial calculator তৈরি ।
হেলো বন্ধুরা কেমন আছো তোমরা সবাই ?
c++ tutorial-এ আজ তোমাদের factorial calculator  দেখাব।
তো বন্ধুরা কথা না বাড়িয়ে চল শুরু করা জাক,
আমরা সবাই জানি  n! formula.
(n!) the mathematical হবে।
n! = n * (n-1) * (n-2) * (n-3) ... * 1
অতএব 5! (factorial of 5) হবে,
5! = 5 * 4 * 3 * 2 * 1 = 120
চল দেখা জাক  c++ use  করে factorial calculator  বানাই;

include <iostream>
using namespace std;
long factorial(long a)
{
     if (a>1)
     return ( a* factorial(a-1));
     else
     return(1);
     }
     int main ()

     {
          long number;
          cout<<" this is factorial calculator"<<endl;
          cout<<"\n\n\n";
          cout<<" please type a factorial number:";
          cin>> number;
          cout<<number<<"!="<<factorial(number)<<endl;
          system ("pause");
          return 0;
          }

 এই code গুলো লিখে compile করলে দেখা যাবে Please type a factorial number: এর পর যেকোনো factorial number type করলে  তার answer চলে আসবে। উদাহরণঃ Please type a factorial number: 9 9! = 362880 তবে এই fucntion ar limitation আছে কারন আমি long ব্যবহার করেছি। আমার এই fucntion 15! factorial বেশি compile করতে পারবেনা। আশা করি তোমরা আমার এই পর্ব ভালো ভাবে বুজতে পেরেছ। এর পরেও যদি কোন সমস্যা হয় আমাকে জানাবে। ভালো লাগলে কমেন্ট করবে। আজকে এপর্যন্তই ভাল থেকো সবাই। আল্লাহ হাফিয।

C++ এর A to Z, [পর্ব- ১১] :: হয়াইল লুপ

হ্যালো ফ্রেন্ডস!! কেমন  আছো সবাই?? অনেক দিন পরে আবারো ফিরে এলাম তোমাদের মাঝে। আশা করি এতদিনে তোমরা প্রোগ্রামিং এর অনেক কিছুই শিখে ফেলেছো। এরপরেও আমি আরও একটু চেষ্টা করছি তোমাদের আরও ভালো করে শেখানর জন্য। আজকে আমি তমাদের শিখাব  while loops  সম্পর্কে।
হমমম তোমরা মনে মনে ভাবছ তোমরা loop সম্পর্কেই জানোনা আর আমি আসছি while loops  শিখাতে তাইনা? ওকে আসলে loop   একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং যার দ্বারা তুমি তোমার একটি প্রোগ্রাম কে একই সময়ে বার বার রান করাতে পারবে। উদাহরণ স্বরূপ তুমি  "hello this is Hemel's room"   কে ১০০ বার প্রিন্ট আউট করতে চাচ্ছ তো সাধারন ভাবে করতে গেলে তোমাকে ১০০বার  cout<<"hello this is hemel's room " লিখতে হবে।কিন্তু তুমি যদি loop  ব্যাবহার করো তাহলে তুমি এক লাইন লিখেই ১০০বার প্রিন্ট আউট করতে পারবে।  হুম আসলেই  loop প্রোগ্রামিং আ খুবই গুরুত্তের দাবি রাখে। তো  loop এর বিভিন্য প্রকারের মধ্যে আজ আমি while loops নিয়ে আলোচনা করবো। while loops টি হচ্ছে loop এর প্রকার গুলোর মধ্যে একদম বেসিক টাইপের loop। তাহলে চলো আমরা একটি উদাহ্রনের মাধ্যমে while loops এর ব্যাবহার শিখে নেই।
প্রথমে একটি ভেরিএবল নিলাম
int Hemel = 0;
এবং while loops এর syntax হচ্ছে
while( )
এখন এই প্যরেন্থেসিস এর মাঝে আমরা একটি টেস্ট দিতে চাই যেমনটা আমরা করেছিলাম ইফ স্টেটমেন্ট এ ।
আমরা টেস্ট করতে চাচ্ছি যে যদি  Hemel এর মান ১০ এর সমান কিম্বা ১০ এর কম হয় তাহলে প্রিন্ট করো
cout<< " Hemel has "<<Hemel<<" friends"<<endl ;
এখন প্রোগ্রাম টিকে একসাথে লিখলে হবে
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
#include<iostream>
using namespace std;
int main()
{
 int Hemel=0;
 
 while(Hemel<=10)
 {
 cout<<"Hemel has "<<Hemel<<" friends"<<endl;
 
 }
 cin.get();
 return 0;
}
এখন যদি আমরা এই প্রোগ্রামটিকে রান করি তাহলে আমরা ডিসপ্লেতে দেখতে পাবো যে  এটা শুধু প্রিন্ট করছেই দেখা যাবে ২০০০০ এর ও বেসি টাইম প্রিন্ট করছে।

হম তোমরা মনে করতেছ যে লুপ অনেক গুলোকে একসাথে প্রিন্ট করতে পারে কিন্তু এটা শুধু প্রিন্ট হতেই থাকে। না আসলে তা নয় এটাকে তুমি নিরদিস্ত সংখ্যা পর্যন্তই প্রিন্ট করতে পারবে। ধরো তুমি প্রোগ্রামটিকে রান করতে চাচ্ছ শুধু ২০ বারের জন্য তাহলে তেমন কিছু করতে হবেনা  শুধু একটি লাইন এড করতে হবে।
যেমন আমাদের প্রোগ্রামটিকে ১০ বার রান করবো।
তাহলে
cout<<"Hemel has "<<Hemel<<"f riends"<<endl; লাইন এর পরের লাইনে টাইপ করো
Hemel= Hemel+1;
এখন প্রোগ্রামটি হবে এরকম
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
#include<iostream>
using namespace std;
int main()
{
 int Hemel=0;
 
 while(Hemel<=10)
 {
 cout<<"Hemel has "<<Hemel<<" friends"<<endl;
 Hemel= Hemel+1;
 }
 cin.get();
 return 0;
}
এখন প্রোগ্রামটিকে রান করলে  ডিসপ্লেতে  আমরা দেখতে  পাবো যে আমাদের প্রোগ্রামটি ১০ বার রান হয়েছে।

এখানে প্রোগ্রামটি কাজ করছে এভাবে যে প্রথম বার রান হওয়ার সময় দেখছে যে Hemel =0  তাই সেটা রান হয়েছে
এরপরে যখন দেখল যে Hemel= Hemel+1;
তখন প্রোগ্রামটি রান করল ০+১ টি। এরপরে আবার যখন রান করতে গেল তখন  তখন একই ভাবে রান করল এভাবে জতক্ষন  না  Hemel এর মান ১০ বেশি হচ্ছে ততক্ষন রান করতেই থাকবে। যখন দেখবে যে Hemel  এর মান ১০ বেশি হয়ে গেছে তখন সেটা আর প্রিন্ট না করে রান হওয়া স্টপ হয়ে যাবে।একি ভাএ আমরা যদি প্রোগ্রামটিকে ২০ বারের জন্যে রান করাতে চাই তাহলে প্যারেন্থেসিস এর মাঝে
While(Hemel<=20) লিখলে এটা ২০বার রান হবে
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
#include<iostream>
 
using namespace std;
 
int main()
{
 int Hemel=0;
 
 while(Hemel<=20)
 {
 cout<<"Hemel has "<<Hemel<<" friends"<<endl;
 Hemel= Hemel+1;
 }
 cin.get();
 return 0;
}
এখন রান করলে দেখা যাবে এটা ২০বার রান হয়েছে

আশা করি টিউটোরিয়ালটি বুঝতে তোমাদের কোন সমস্যা হয়নাই।এরপরেও যদি কোন সমস্যা মনে হয় তাহলে অবশ্যই আমাকে জানাবে।

C++ এর A to Z, [পর্ব- ১০] :: ইফ- এলস স্টেটমেন্ট

হ্যালো! কেমন আছো সবাই?
আমার ১০ম c++ টিউটোরিয়ালে তোমাদের সবাইকে স্বাগতম।আজকের টিউটোরিয়ালটি if-else statement নিয়ে সাজানো। প্রথমে আমি ইফ স্টেটমেন্ট প্রোগ্রাম টি তৈরি করতে চাচ্ছি, কারন if-else statement টি ইফ স্টেটমেন্ট এর মতই। তুমি   যদি আমার পূর্বের টিউটোরিয়াল টি দেখে থাকো তাহলে ইফ স্টেটমেন্ট নিয়ে কোন সমস্যা থাকার কথা না। তাহলে চলো ইফ স্টেটমেন্ট এর মতই একটি প্রোগ্রাম তৈরি করি।ধরো আমি একটা ভারিয়াবল নিলাম
int flower=10;
এখন একটি বেসিক ইফ স্টেটমেন্ট তৈরি করো। যদি তোমরা আমার পূর্বের টিউটোরিয়াল টি শরন করো তাহলে বুঝতে কোন সমস্যা নাই যে ইফ স্টেটমেন্ট খুবই সাধারন কিছু টেস্ট অথবা সিদ্ধান্ত  নিয়ে থাকে। যদি টেস্ট টি সত্যি হয় থলে প্রোগ্রামটি রান করে
কোডটি  ডিসপ্লে করবে আর যদি টেস্ট টি সত্যি না হয় তাহলে প্রোগ্রামটি কোন কিছু ডিসপ্লে করবেনা।
তাহলে চলো একটা সাধারন টেস্ট করি যে যদি flower ৩০ এর বেশি হয় তাহলে ডিসপ্লে করো
"wow! there is lot of flowers"
এখন প্রোগ্রাম টি হবে ঠিক নিচের মত
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
<blockquote>#include<iostream>
 
using namespace std;
 
int main()
 
{
 
int flower=10;
 
if(flower>30)
 
{
 
cout<<"wow! there is lot of flowers"<<endl;
 
}
 
cin.get();
 
return 0;
 
}</blockquote>
এখন যদি তুমি প্রোগ্রামটিকে রান করো তাহলে ডিসপ্লেতে কিছুই দেখাবেনা

কারন  আমাদের flowers আসে মাত্র ১০ টা তাই আই প্রোগ্রামটি কিছুই রান করবেনা। তাহলে এক্তু চিন্তা করো কিভাবে এই প্রোগ্রামটিকে কিভাবে রান করান  যায় যদি না টেস্ট টি সত্যি না হয়। হম সেই কাজটি করে থাকে ইফ-এলস স্টেটমেন্ট।ইফ-এলস স্টেটমেন্ট খুবই সহজ এবং মজার।
শুধু ইফ স্টেটমেন্ট এর পরে লিখো
1
2
3
4
5
6
7
else;
 
{
 
code;
 
}
এখন আমরা যে প্রোগ্রামটি তৈরি করেছিলাম সেটা যেহেতু টেস্ট করে বলছে সত্যিনা  কারন আমাদের flowers ৩০ টি এর বেশিনা ।
তাহলে এখন আমরা টেস্ট টিকে এমন ভাবে করতে চাই যে টেস্টটি করে যদি সত্যি না হয় তাহলে ডিসপ্লে করো
" there is only 10 flowers";
সেটার জন্যে ইফ স্টেটমেন্ট এর পরে টাইপ করো
1
2
3
4
5
6
7
else;
 
{
 
cout<<"there is only "<<flower<<" flowers"<<endl;
 
}
এখন পুরো প্রোগ্রামটিকে সাজালে হবে
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
<blockquote>#include<iostream>
 
using namespace std;
 
int main()
 
{
 
int flower=10;
 
if(flower>30)
 
{
 
cout<<"wow! there is lot of flowers"<<endl;
 
}
 
else;
 
{
 
cout<<"there is only "<<flower<<" flowers"<<endl;
 
}
 
cin.get();
 
return 0;
 
}</blockquote>
এখন তুমি প্রোগ্রাম টিকে রান করলে ডিসপ্লে তে দেখতে পাবে।

আশা করি টিউটোরিয়ালটি বুঝতে কারো সমস্যা হয়নাই। এরপরেও কোন সমস্যা থাকলে কমেন্ট করে জানাবে।

C++ এর A to Z, [পর্ব- ০৯] :: ইফ স্টেটমেন্ট

সবাইকে স্বাগতম আমার ৯ম c++ প্রোগ্রামিং টিউটোরিয়ালে। আজকের টিউটোরিয়ালটি ইফ স্টেটমেন্ট নিয়ে সাজানো। ইফ স্টেটমেন্টটি হোল কম্পিউটারকে সাধারন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যম।কিছু কিছু সময় তুমি একটা প্রোগ্রাম সাধারন কিছু choice নিয়ে তৈরি করতে চাও অথবা একটা প্রোগ্রাম তৈরি করেছো যেখানে অনেকগুল লাইন আছে কিন্তু তুমি চাচ্ছ নির্দিষ্ট লাইন পর্যন্ত রান করতে। এরকম কিছু সাধারন সিদ্ধান্তের জন্যে ইফ স্টেটমেন্ট ব্যাবহার করা হয়। যেমন উদাহরন স্বরূপ তুমি একটা সফটওয়্যার তৈরি করেছো  এবং সেটা লক করা যখন কেউ সেটা পাসওয়ার্ড দিয়ে ওপেন করবে তখন তাকে তুমি বলতেছ ওয়েলকাম। তো এরকম অতিসাধারন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যে ইফ স্টেটমেন্ট এর ব্যাবহার করা ।আর এটার জন্যে if কোড ব্যাবহার করা হয়।
ঠিক আগের সাধারন প্রোগ্রাম গুলোর মত মেইন ফাংশন এর মধ্যে একটা ভারিএবল নিলে
int x=10;
এখন তুমি প্রোগ্রামটিতে কোন সিধান্ত নেওয়ার জন্যে টাইপ করো
if()
if এর সাথে যুক্ত() প্যারেন্থেসিস এর মাঝেই মুলত টেস্ট করা হয়। যেমন ধরো আমি বলতেছি যদি x এর মান ১০০ কিম্বা ১০০ এর কম হয় তাহলে i love hemel ডিসপ্লে করো।
সেটার জন্যে প্যারেন্থেসিস এর মাঝে লিখো x<=100
#include<iostream>

using namespace std;

int main()

{

int x=10;

if(x<=100)

{

}

cin.get();

return 0;

}

এখন যদি x এর মান ১০০ এর কম হয় তাহলে  i love hemel ডিসপ্লে করার জন্যে if এর বডিতে অর্থাৎ ব্রেসেস এর মাঝে লিখো
cout<<"i love hemel";
এখন আমাদের পুরো প্রোগ্রামটি দাঁড়ালো ঠিক এরকম
#include<iostream>

using namespace std;

int main()

{

int x=10;

if(x<=100)

{

cout<<"i love hemel";

}

cin.get();

return 0;

}

এখন প্রোগ্রামটিকে রান করলে ডিসপ্লে দেখতে পাবে

এখন টেস্ট এ যদি বলা হয় x>=100
তাহলে কিছুই ডিসপ্লে করবেনা কারন  x টি ১০০ থেকে বড় নয়।
ঠিক একই ভাবে আমরা দুইটি ভারিএবল এর টেস্ট করতে পারি।
যেমন
int x=10;
int y=20;
এখন তুমি বলতেছ যদি x এর মান y  এর থেকে বেশি হয় তাহলে i love hemel ডিসপ্লে করো
#include<iostream>

using namespace std;

int main()

{

int x=10;

int y=20

if(x>y)

{

cout<<"i love hemel";

}

cin.get();

return 0;

}

কিন্তু এটা কিছুই ডিসপ্লে করবেনা কারন x টি y থেকে ছোট।
একই ভাবে আমরা কোন ভেরিএবল না নিয়ে সরাসরি দুইটা নাম্বার নিয়ে টেস্ট করতে পারব
#include<iostream>

using namespace std;

int main()

{
if(10>6)

{

cout<<"i love hemel";

}

cin.get();

return 0;

}

এখন প্রোগ্রামটিকে কম্পাইল করে রান করলে আমরা ডিসপ্লেতে দেখতে পাবো

ওকে ইফ স্টেটমেন্ট টেস্ট এর জন্যে <লেসদেন, >,গ্রেতারদেন,== সমান সমান,<= লেসদেন অর ইকুয়ালতু,>=  গ্রেতারদেন অর ইকুয়ালতু ব্যাবহার করা হয়।
এভাবে ইফ স্টেটমেন্ট এর ব্যাবহার করা হয়। আশা করি তোমাদের টিউটোরিয়ালটি উপকারে এসেছে। ববাবরের মত আজও বলছি কোডিং নিয়ে কোন প্রবলেম থাকলে কমেন্ট করে

C++ এর A to Z, [পর্ব- ০৮] :: ফাংশনে মাল্টিপল প্যারামিটার এর ব্যাবহার

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছো সবাই??
অনেকদিন পরে আবারও হাজির হোলাম c++ টিউটোরিয়াল এর ৮ম পর্ব নিয়ে।আজকে আমি আলোচনা করবো ফাংশনে মাল্টিপল প্যারামিটার এর ব্যাবহার নিয়ে।মাল্টিপল প্যারামিটার এর জন্যে আমরা ফাংশনে void ব্যাবহার করতে পারবনা।কারন void  এ কোন রিটার্ন সিস্টেম নাই।আমাদের এমন একটা দরকার যেটা  নাম্বার গণনা করে আমাদেরকে তার রেজাল্ট টি রিটার্ন হিসেবে দিবে। তাই আমারা integer data type ব্যাবহার করবো যেটা কিনা আমাদের রিটার্ন দিতে পারবে। তাহলে চলো আমরা  integer data type  ব্যাবহার করে ফাংশনে মাল্টিপল প্যারামিটার এর ব্যাবহার শিখি।
এখন প্রথমে টাইপ করো int তারপরে তোমার ফাংশনটির একটা নাম দাও।আমি ফাংশনটির নাম দিলাম hemelAdd এখন আমরা প্যারামিটার লিস্ট এর জন্য ()  এবং  বডি  লিস্ট এর জন্য ব্রেসেস {} যোগ করবো যেমনটা আমরা আগের পর্বে শিখেছিলাম।
তোমরা পূর্বের পর্ব থেকে আরও শিখেছিলে যে প্যারেন্থেসিস  এর ভিতরে  ফাংশনে কোন ইনফরমেশন এর জন্যে একটি প্যারামিটার বসাতে পারি। যদি আমরা একের অধিক  প্যারামিটার বসাতে চাই তাহলে দুইটা variable name কে আলাদা করে ব্যাবহার করার জন্যে একটি কমা ব্যাবহার করবো।যেমনটা আমি দুইটা variable name নিয়েছি int x এবং int y
#include<iostream>

using namespace std;

int hemelAdd(int x, int y)

{

}

int main()

{

cin.get();

return 0;

}

এখন ফাংশনে ব্রেসেস এর ভিতরে আরও একটি variable name  নাও । আমি একটি variable name  নিলাম int result আর result  সমান সমান value x+y
int result = x+y;
ওকে ধরো এখন x এর মান ৫ আর y এর মান ১৫। তাহলে আমাদের result টি হবে ৫+১৫ মানে ২০
যখন আমাদের result ক্যালকুলেটরটি থাকবে তখন আমাদের প্রয়োজন এটার রিটার্ন টাইপ রাখা।
কোন কিছু রিটার্ন করার জন্যে টাইপ করো return এরপরে টাইপ করো সেই নামটা যেটা তুমি রিটার্ন করতে চাচ্ছ। তো আমরা রিটার্ন করতে চাচ্ছি result কে তাই আমরা টাইপ করবো result
যেমনটা আমি নিচে লিখেছি
#include<iostream>

using namespace std;

int hemelAdd(int x, int y)

{

int result = x+y;

return result;

}

int main()

{

cin.get();

return 0;

}

ওকে এখন মেইন ফাংশনের ভিতরে টাইপ করো hemelAdd();
এখন তুমি যে দুটি নাম্বার যোগ করতে চাচ্ছ টা প্যারেন্থেসিস এর মধ্যে বসাও hemelAdd(30,40); উক আমি ৩০ এবং ৪০ বসালাম। তাহলে আমাদের প্রোগ্রাম টি দারাল ঠিক এরকম
#include<iostream>

using namespace std;

int hemelAdd(int x, int y)

{

int result = x+y;

return result;

}

int main()

{

hemelAdd(30,40);

cin.get();

return 0;

}

এখন যদি তুমি প্রোগ্রামটিকে রান করো তাহলে ডিসপ্লে তে কিছুই আসবেনা।আমাদের রেজাল্ট এর মান পেতে হলে hemelAdd(30,40); এর পূর্বে cout<< বসাতে হবে।
#include<iostream>

using namespace std;

int hemelAdd(int x, int y)

{

int result = x+y;

return result;

}

int main()

{

cout<<hemelAdd(30,40);

cin.get();

return 0;

}

 এখন তুমি প্রোগ্রামটি রান করে ডিসপ্লেতে মানটি দেখতে পাবে।

এভাবেই ফাংশনে মাল্টিপল প্যারামিটার ব্যাবহার করা হয়।তুমি এখানে ইচ্ছে করলে আরও একাধিক নাম্বার যোগ করতে চাও  সেটাও একি রকম। শুধু মাত্র ফাংশনে প্যারেন্থেসিস এর মাঝে টাইপ করো int x,int y,int z,int k
তাহলে আমাদের ফাংশনটি হবে
#include<iostream>

using namespace std;

int hemelAdd(int x, int y,int z,int k)

{

int result = x+y+z+k;

return result;

}

int main()

{

cout<<hemelAdd(30,40,20,10);

cin.get();

return 0;

}

এখন এটাকে রান করলে আমরা ডিসপ্লে তে দেখতে পাবো

এভাবে ফাংশনে মাল্টিপল প্যারামিটার এর ব্যাবহার করা হয়।মানে তোমার যত খুশি তুমি নাম্বের যোগ করতে পারবে। আশা করি টিউটোরিয়ালটি বুঝতে কোন সমস্যা হয়নাই।এরপরেও কোন সমস্যা হলে  অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবে ।

C++ এর A to Z, [পর্ব- ০৭] :: ফাংশনে প্যারামিটার এর ব্যাবহার

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছ সবাই??
আশা করি নতুন কিছু শেখার প্রত্যয়ে ভালোই যাচ্ছে দিন গুলো।প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখতে  একটা বিষয় মনে রাখবে যত বেশি প্র্যাকটিস করবে তত ভালো প্রোগ্রামার হতে পারবে।যেমন তুমি কোন ভাষা শিখতে চাচ্ছ তাহলে অবশ্যই সেই ভাষাতে তোমার সব সময় চর্চা করতে হবে তাহলেই কেবল তুমি সেই ভাষায় পারদর্শী হতে পারবে।প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজও একি জিনিস যত বেশি চর্চা করবে তত বেশি পারদর্শী হতে পারবে।
 আজকের টিউটোরিয়ালটিতে আমি তোমাদের শিখাব কিভাবে প্যারামিটার ব্যাবহার করে একটি ফাংশন তৈরি করা যায়। আসলে ফাংশনে প্যারামিটার এর ব্যাবহার করা হয় ফাংশনের কোন অতিরিক্ত ইনফরমেশন যুক্ত করার জন্যে। উদারহন স্বরূপ মনে করো তুমি একটি ফাংশন তৈরি করেছো যেটা কারো
বয়স বের করার জন্যে ব্যাবহার করবে। এখন কারো বয়স বের করার জন্যে তোমার ওই  ব্যাক্তি সম্পর্কে কিছু অতিরিক্ত তথ্য দরকার যেটার মাধ্যমে তুমি ব্যাক্তির বয়স গণনা করবে।
তো ফাংশনে প্যারামিটারটি সেই অতিরিক্ত তথ্য যুক্ত করার কাজটি করে থাকে।এখন আমরা সহজেই বিষয়টা বুঝতে পারছি যে, কেন কোন একটি ফাংশনে অতিরিক্ত তথ্য এর প্রয়োজন।
তাহলে চলো বিষয়টি আরও পরিস্কার করার জন্যে একটি ফাংশন তৈরি করি যেটাতে অতিরিক্ত তথ্য যুক্ত করার জন্যে প্যারামিটার ব্যাবহার করা হয়েছে।
তাহলে ধরো  আমরা একটা ফাংশন তৈরি করছি যেটা আমাদের আউটপুট হিসেবে দিবে
hemels favourite number is 50
এখানে আমি উদাহরণ দেওয়ার জন্যে ৫০ ব্যাবহার করেছি। প্রিয় নাম্বার অন্য কিছুও হতে পারে। হুম সত্যি বলতে কি আসলেই আমার প্রিয় নাম্বার ৫০  😀
যাই হোক আমার প্রিয় নাম্বার দিয়ে কোন কাজ নেই চলো ফাংশনটাকেই আমরা প্রিয় করে শিখে নেই। ধরো তোমার  প্রিয় নাম্বারটি কি টা তুমি জাননা।এখন প্রিয় নাম্বারতি জানার জন্যে যেটা করতে হবে সেটা হল
প্রথমে একটি ফাংশন তৈরি করো। আমি ফাংশনটির নাম দিলাম nilpakhi. আসলে এটা জাস্ট একটা নাম এটা যেকোনো নামে হতে পারে। ওকে আমরা একটি ফাংশন তৈরি করেছি । আর আমরা জানি যে কোন ফাংশন তৈরি করলে তার সামনে এমটি প্যারেন্থিসিস যুক্ত করতে হয়।
#include<iostream>

using namespace std;

void nilpakhi()

{

}

int main()

{

cin.get();

return 0;

}
ওকে যখন আমরা কোন ফাংশনে তথ্য যুক্ত করতে চাই তখন প্যারেন্থিসিস এর মাঝে সেই তথ্য লিখতে হয়।যেটা আমি বলেসিলাম যে আমরা জানিনা যে প্রিয় নাম্বারতি কত। ওকে এটার জন্য আমাদের শুধু লিখতে হবে আমাদের ইনফরমেশনটি একটি ভেরিএবল,যেটা intiger data type.
ওকে তাহলে এখন প্যারেন্থেসিস এর মাঝে ইনফরমেশনটি লিখ যে এতি একটি intiger data type আর ভেরিএবল টির নাম X  এবং  বডিতে লিখব কিছু যেটা আমরা ডিসপ্লে করতে চাচ্ছি।
#include<iostream>

using namespace std;

void nilpakhi(int x)

{

cout<<"hemels favorite number is"<<x<<endl;

}

int main()

{

cin.get();

return 0;

}
এখন তুমি x এর মান যেটাই  দিবে hemels favorite number is সেটাই হবে।
আরেকটা  বিষয় সব সময় মনে রাখবে যে  যখন আমরা এই ফাংশনটিকে মাইন ফাংশনে গিএ কল করবো তখন মেইন ফাংশনের বডিতে ফাংশনের নামটা লিখ তারপরে প্যারেন্থিসিস যুক্ত করে  সেমিকোলন দাও।
#include<iostream>

using namespace std;

void nilpakhi(int x)

{

cout<<"hemels favorite number is"<<x<<endl;

}

int main()

{

nilpakhi();

cin.get();

return 0;

}
যখন তোমার ফাংশনটিতে কোন অতিরিক্ত তথ্য প্রয়োজন।তখন তোমাকে সেই তথ্যতি লিখতে হবে প্যারেন্থিসিস এর ভিতরে। এখন নতুন ফাংশনটিতে তুমি প্যারেন্থিসিস এর ভিতরে লিখেছ কি ধরনের তথ্য তুমি যুক্ত করতে চাচ্ছ।
এখন তুমি মেইন ফাংশনের ভিতরে তুমি যে ফাংশন নাম টি যুক্ত করেছো সেই নামতির সাথে যুক্ত প্যারেন্থিসিস এর মাঝে তুমি সেই তথ্যের মান দাও।
nilpakhi(50);
এখন আমাদের পুরো প্রগ্রামতি দারাল ঠিক এরকম
#include&lt<iostream>

using namespace std;

void nilpakhi(int x)

{

cout<<"hemels favorite number is"<<x<<endl;

}

int main()

{

nilpakhi(50);

cin.get();

return 0;

}
এখন প্রোগ্রামটিকে রান করলে আমরা ডিসপ্লেতে  দেখতে পাবো।

হুম ডিসপ্লেতে মানটি দেখাচ্ছে। ঠিক একিভাবে আমি যদি মানতি লেখি ১০০, তাহলে ডিসপ্লেতে ১০০  দেখাবে

আশা করি টিউটোরিয়ালটি সবাই বুঝতে পেরেছ। আমি সব সময়ই চেষ্টা করি একদম সহজ করে  সবাইকে প্রগ্রামিং শিখাতে। যদি কখনো কোন জটিলতা সৃষ্টি হয় আমাকে সে বিষয়ে  অবগত করতে একটুও  লজ্জা বোধ  করবেনা।   
তোমাদের যদি প্রোগ্রামিং নিয়ে কোন সমস্যা থাকে। কিম্বা যেকোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানাবে

C++ এর A to Z, [পর্ব- ০৬] :: ফাংশন

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছো  সবাই?? আশা করছি প্রোগ্রামিং কে সাথে নিয়ে নতুন কিছু শেখা ভালই চলছে । তোমাদের সামনে আবারো  হাজির হলাম ৬তম পর্ব নিয়ে। আমার আজকের টিউটোরিয়ালটি function নিয়ে সাজানো। function  নিয়ে হয়তোবা আমি এর আগে কোন টিউটোরিয়াল এ কিছুটা আলোচনা করেছিলাম। আমি আবারো  function  নিয়ে আলোচনা করতে চাই আসলে  function  টা কি ?? আর কেন  function  টি c++ প্রোগ্রামিং এ ব্যাবহারযোগ্য।
যদি তোমারা আমার আগের কথা গুলো স্মরণ করে থাকো আমি বলেছিলাম কম্পিউটার অনেক গুলো ফাংশন এর সমন্বয়ে গঠিত। তো আমাদের এখানে ছোট্ট একটা ফাংশন আছে।
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
#include<iostream>
 
using namespace std;
 
int main()
 
{
 
cin.get();
 
return 0;
 
}
আসলে ফাংশন এর কাজ হচ্ছে কোন কিছু করা। আমরা আমাদের ফাংশনকে অনেক গুলো ভিন্ন ভিন্ন ইন্সট্রাকশন দিতে পারি সেমিকোলন এর সাহায্যে। আমরা এটা ইতিমধ্যেই জানি যে প্রত্যেকটি প্রোগ্রাম শুরু হয় মেইন ফাংশন হতে। তো
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
#include<iostream>
 
using namespace std;
 
int main()
 
{
 
cin.get();
 
return 0;
 
}
এটা একটি ফাংশন।তাহলে চলো আমরা আরও একটি ফাংশন তৈরি করি। সেটার জন্যে আমরা মেইন ফাংশন এর বাইরে তৈরি করবো। এখন আমাদের প্রথমে যে জিনিষটা লাগবে সেটা হল return type। যখন কেউ একটি ফাংশন তৈরি করে তারা সচরাচর কোন একটা ক্যাল্কুলেসন তৈরি করে যেটা কিছু back দিবে।
যেমন,
যদি আমাদের একটা ফাংশন থাকে যেটা আমার ওজন গণনা করবে সেটা তখন আমাকে কিছু সংখা back দিবে।
আসলে ফাংশন সব সময় যে গুননা করে তা  কিন্তু নয়। অনেক সময় ফাংশন তৈরি করাহয় শুধু মাত্র কোন কিছু প্রিন্ট আউট করার জন্যে। তো কিছু সময় ফাংশন কোন কিছু গণনা করে তোমাকে কিছু return back  দিবে। এবার কোন কোন সময় ফাংশন শুধু মাত্র কিছু প্রিন্ট আউট করবে কিন্তু কোন  return back  দিবেনা।
যখন তুমি একটা ফাংশন তৈরি করতে চাচ্ছো যেটা শুধু প্রিন্ট আউট করবে কিন্তু কোন কিছু return back দিবেনা সেটার জন্যে শুধু টাইপ করো void তোমার ফাংশন এর নাম দাও। যেমনটা আমরা প্রথম ফাংশন এ দিয়েছিলাম main তো আমাদের নতুন void  ফাংশন এর নাম দিলাম nilpakhi ওকে এরপরে আমরা আগের মতই পারেন্থেসিস যুক্ত করবো এরপরে ব্রেসেস যুক্ত করবো।
আমি তোমাদের আগেই বলছিলাম যে ব্রেসেস এর মাঝে যা থাকে তাকে বলা হয় body of a function তো প্রত্তেক্ত ফাংশন এর বডি তেই ফাংশন এর সব ইন্সট্রাকশন দেওয়া হয়। তো এখন আমরা বডিতে লিখতেছি যে।
cout<<" we love hemel's programming tutorials"<<endl;
মম আসলেই আমার টিউটোরিয়াল তোমরা লাইক করো নাকি?? তো আমাদের void ফাংশন টি দারাল ঠিক  এরকম
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
#include<iostream>
 
using namespace std;
 
int main()
 
{
 
cin.get();
 
return 0;
 
}
 
void nilpakhi()
 
{
 
cout<<"we love hemel's programming tutorials"<<endl;
 
}
যখন আমরা এই ফাংশনটিকে কল করবো তখনি ফাংশন টি ডিসপ্লে করবে
we love hemel's programming tutorials
ওকে একটা বিসয় সব সময় স্মরণ রাখবে সেটা হল। যখনি আমাদের প্রোগ্রামটি মেইন ফাংশন দিয়ে শুরু তখন আমাদের মেইন ফাংশনকে বলতে হবে যে আমি নতুন ফাংশনটি ব্যাবহার করতে চাচ্ছি। তো নতুন ফাংশনটি কে ডিসপ্লে করার জন্যে মেইন ফাংশনের মধ্যে টাইপ করো
nilpakhi();
তো এখন যদি আমরা প্রোগ্রামটিকে কম্পাইল করে রান করি তাহলে অবশ্যই error দেখাবে।

তোমরা  দেখতে পাচ্ছ কম্পাইলর লাল চিহ্ন দারা  error  বুঝাচ্ছে। তো আসলে প্রবলেম কথায়?? তোমরা হয়ত চিন্তা করতেছ হিমেল বলেছে যে প্রোগ্রামটি ভালভাবেই তৈরি করা হয়েছে কিন্তু  error  দেখাচ্ছে কেন?? কিন্তু যখনি আমরা কম্পাইল করে রান করলাম কম্পাইলার আমাদের  error  দেখাচ্ছে। আসলে কম্পিউটার প্রোগ্রাম কাজ করে একদম শুরু থেকে
তো শুরু থেকে প্রোগ্রামটি চেক করে যখন মেইন ফাংশন এ আসে তখন প্রোগ্রামটি c++ চিন্তা করে  nilpakhi() এটা কথা থেকে আসল?? সে কারনে কম্পাইলর প্রোগ্রামটিকে error দেখায়। তো এটার জন্যে আমাদের যেটা করতে হবে সেটা হচ্ছে আমাদের নতুন ফাংশনটিকে মেইন ফাংশন এর পূর্বে বসাতে হবে। তাহলে কম্পাইলর যখন চেক করবে তখন আর error দেখাবেনা। তো আমরা আমদের প্রোগ্রামটিকে সাজাব এভাবে।
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
#include<iostream>
 
using namespace std;
 
void nilpakhi()
 
{
 
cout<<"we love hemel's programming tutorials"<<endl;
 
}
int main()
 
{
 
nilpakhi();
 
cin.get();
 
return 0;
 
}
এখন প্রোগ্রামটিকে রান করলে আর error   দেখাবেনা।

এখন আমরা আমাদের কাংখিত লেখাটি ডিসপ্লে তে দেখতে পাচ্ছি।
আশা করি ফাংশন সম্পর্কে বুঝতে তোমাদের আর সমস্যা হবেনা।জদি কোন সমস্যা হয় কিম্বা কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবে।

C++ এর A to Z, [পর্ব- ০৫]

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছো  সবাই?? আশা করছি প্রোগ্রামিং কে সাথে নিয়ে নতুন কিছু শেখা ভালই চলছে । তোমাদের অধির আগ্রহের অবসান ঘটিয়ে আবারও  হাজির হলাম ৫তম পর্ব  নিয়ে। আজকে আমার টিউটোরিয়ালটি if statement নিয়ে সাজানো। if statement টি মূলত একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে প্রোগ্রাম কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
আমরা যেটা করবো সেটা হচ্ছে আমরা প্রগ্রামকে একটা টেস্ট দেবো। প্রোগ্রামটি তখন টেস্ট টি রান করে যদি টেস্ট টি সত্যি হয় তখন  প্রোগ্রামটি ডিসপ্লে করবে যা আমরা  ডিসপ্লে করতে চাই । যদি টেস্ট টি সত্য না হয় তখন প্রোগ্রামটি কোন কিছু ডিসপ্লে করবেনা। if statement তৈরি করার জন্য if() ব্যাবহার করতে হয়। প্যারেন্থেসিস এর মাঝখানে আমরা যা টেস্ট করতে চাই সেটা করবো।
if(test)
এরপরে আমরা যোগ করবো ব্রেসেস
{}
যেটাকে বলা হয় body of the if statement
আমরা এই ব্রেসেস এর মাঝে কোন কোড লিখব যেটা প্রোগ্রাম রান করবে যদি টেস্ট টি সত্যি হয়। তাহলে চলো ছোট একটা টেস্ট করে দেখা যাক। আমি বলতেসি যে যদি ৫ সংখ্যাটি ১০ থেকে ছোট হয় তাহলে " hemel is a cool boy" ডিসপ্লে করো। তখন প্রোগ্রামটি দেখবে যে হে অবশ্যই ৫ সংখ্যাটি ১০ থেকে ছোট তাই প্রোগ্রামটি রান করে কোড ডিসপ্লে করবে।
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
#include&lt;iostream&gt;
 
using namespace std;
 
int main()
 
{
 
if(5&lt;10)
 
{
 
cout&lt;&lt;"hemel is a cool boy";
 
}
 
cin.get();
 
return 0;
 
}
চলো প্রগ্রামতিকে রান করে দেখি আসলেই কাজ করে কিনা

এখন যদি আমি বলি যদি ৫ সংখ্যাটি ১০ থেকে বড় হয় তাহলে "hemel is a cool boy" ডিসপ্লে করো।
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
#include&lt;iostream&gt;
 
using namespace std;
 
int main()
 
{
 
if(5&gt;10)
 
{
 
cout&lt;&lt;"hemel is a cool boy";
 
}
 
cin.get();
 
return 0;
 
}
এখন এটাকে যদি রান করি তাহলে কিছুই ডিসপ্লে করবেনা

কারন ৫ সংখ্যাটি ১০ থেকে বড় নয়। এতাই মুলত if statement এর কাজ। if statement এর আরও কিছু টেস্ট আছে যেমন
"==" যেটাকে বলা হয় ইকুয়ালটু  ইকুয়ালটু যেমন আমরা বলতেছি যে যদি ৫ সংখ্যাটি ৫ এর সমান হয় তাহলে hemel is a cool boy ডিসপ্লে করো।
"<=" যেটাকে বলা হয় greater then or equal to । মানে একটি সংখা অপরটি থেকে বড় হতে পারে কিম্বা সমান।
">=" যেটাকে বলা হয় less then or equal to। মানে একটি সংখা অপরতি থেকে ছোট কিম্বা সমান।
"!=" যেটাকে বলা হয় not equal to। মানে সংখা দুইটি সমান না।
ওকে if statement  টিকে শুধু এভাবেই ব্যাবহার করা হয়না। প্রগ্রামাররা এটাকে এভাবেও ব্যাবহার করে যে প্রথমে variable তৈরি করে তারপর সেটার টেস্ট করে।
যেমন বলতেছে যে
int x=10;
int y=12;
এখন বলতেছে যদি ১০ সংখ্যাটি ১২ এর সমান না হয় তাহলে hemel is a cool boy ডিসপ্লে করো।
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
#include&lt;iostream&gt;
 
using namespace std;
 
int main()
 
{
 
int x=10;
 
int y=12
 
if(x!=y)
 
{
 
cout&lt;&lt;"hemel is a cool boy";
 
}
 
cin.get();
 
return 0;
 
}
এখন প্রোগ্রামটি রান করলে আমরা দেখতে পাবো

আশা করি if statement  বুঝতে কারো কোন সমস্যা নাই।
প্রোগ্রামিং নিয়ে যেকোনো সমস্যা থাকলে অবশ্যই কম্নেত করে জানাবে

Designed by MS Design

Powered by Blogger